তৃতীয়ভাগ উদ্যোগপর্ব- শান্তির প্রস্তাব, আর যুদ্ধের ছায়া: কুরুক্ষেত্রের আগে শেষ কথোপকথন
তৃতীয়ভাগ উদ্যোগপর্ব- শান্তির প্রস্তাব, আর যুদ্ধের ছায়া: কুরুক্ষেত্রের আগে শেষ কথোপকথন
শল্য তাঁর কথা শেষ করলেন এভাবে—"যুধিষ্ঠির, ইন্দ্রকেও তো স্ত্রীসহ কষ্ট পেতে হয়েছিল, শত্রু বধের জন্য তাঁকেও লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল। তাই দ্রৌপদী আর ভাইদের নিয়ে তোমাকে যে বনে কষ্ট সইতে হয়েছে, তাতে মন খারাপ কোরো না। বৃত্রাসুরকে মেরে ইন্দ্র যেমন রাজ্য ফিরে পেয়েছিলেন, তেমনই তুমিও ফিরে পাবে। অগস্ত্যের অভিশাপে নহুষের যেমন পতন হয়েছিল, তেমনই দুর্যোধন-কর্ণেরও পতন হবে।"
বি:দ্র:ইন্দ্র,ইন্দ্রানী ও বৃত্রাসুরের কাহিনি ঝালিয়ে নিতে এখানে ক্লিক করুন
এই কথায় সান্ত্বনা পেয়ে যুধিষ্ঠির যথাযথ সম্মানে শল্যকে আপ্যায়ন করলেন। তারপর মদ্ররাজ বিদায় নিয়ে সেনাসহ চলে গেলেন দুর্যোধনের কাছে।
এদিকে একে একে আসতে লাগলেন আরও সব যোদ্ধা। যাদব মহারথী সাত্যকি এলেন বিশাল চতুরঙ্গিণী সেনা নিয়ে—নানা দেশের বীরে সাজানো, অস্ত্রশস্ত্রে ঝলমলে সেই বাহিনী। চেদিরাজ ধৃষ্টকেতু এলেন এক অক্ষৌহিণী নিয়ে, জরাসন্ধপুত্র জয়ৎসেন এলেন আরেক অক্ষৌহিণী নিয়ে, আর পাণ্ড্যরাজও নিয়ে এলেন সমুদ্রতীরের বীরদের। একে একে দ্রুপদের সেনা, বিরাটের পার্বত্য মিত্ররা—সব মিলিয়ে সাত অক্ষৌহিণী সৈন্য জড়ো হলো পাণ্ডবদের পক্ষে। এই বিশাল, উদ্যমী বাহিনী দেখে পাণ্ডবদের মন ভরে উঠল।
বি:দ্র: চেদিরাজ ধৃষ্টকেতুর গল্প জানতে এখানে ক্লিক করুন
বি:দ্র: সাত্যকির পরাক্রম জানতে এখানে ক্লিক করুন
কিন্তু কৌরব শিবিরও বসে ছিল না। ভগদত্ত এলেন চীন আর কিরাত দেশের বীরসহ এক অক্ষৌহিণী নিয়ে। কৃতবর্মা এলেন ভোজ, অন্ধক আর কুকুরবংশীয় যাদবদের নিয়ে।
বি:দ্র: বীর কৃতবর্মা কাহিনি জানতে এখানে ক্লিক করুন
সিন্ধুরাজ জয়দ্রথ, কম্বোজরাজ সুদক্ষিণ শক-যবন সেনাসহ, মাহিষ্মতীর রাজা নীল, অবন্তীর বিন্দ-অনুবিন্দ, কেকয়ের পাঁচ ভাই—একে একে সবাই এসে যোগ দিলেন।
বি:দ্র: কেকয়রাজের উপাখ্যান-সিংহাসন, রক্তসূত্র ও নিয়তির পরিহাস জানতে এখানে ক্লিক করুন
বি:দ্র: জয়দ্রথের নেপথ্যের কাহিনি জানতে এখানে ক্লিক করুন
শেষে দুর্যোধনের পক্ষে জমা হলো এগারো অক্ষৌহিণী সেনা, পতাকায় পতাকায় সাজানো, যুদ্ধের জন্য উন্মুখ। পঞ্চনদ থেকে যমুনাতট পর্যন্ত গোটা এলাকা ভরে গেল কৌরব সেনায়।
বি:দ্র: অক্ষৌহিণী: মহাভারতের সেনাবাহিনী মাপার একক জানতে এখানে ক্লিক করুন
দ্রুপদের পুরোহিত, যিনি দূত হয়ে গিয়েছিলেন, এই বিশাল বাহিনী দেখে গেলেন সোজা ধৃতরাষ্ট্রের সভায়। ধৃতরাষ্ট্র, ভীষ্ম, বিদুর—সবাই তাঁকে সাদরে বরণ করলেন। কুশল বিনিময়ের পর পুরোহিত সবার সামনে বলতে শুরু করলেন—"এ কথা সবারই জানা যে ধৃতরাষ্ট্র আর পাণ্ডু একই পিতার সন্তান, তাই সিংহাসনে দুজনেরই সমান অধিকার। তাহলে ধৃতরাষ্ট্রের ছেলেরা পৈতৃক ধন পেলেন, পাণ্ডুর ছেলেরা পেলেন না কেন? বহুবার কৌরবরা পাণ্ডবদের শেষ করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু আয়ু ছিল বলে তাঁরা বেঁচে গেছেন। শকুনির সাথে মিলে ছলনা করে রাজ্য কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তবুও পাণ্ডবরা এখনও সব ভুলে সন্ধি চান। তাই দুর্যোধনকে বোঝানো উচিত—যুধিষ্ঠিরের কাছে সাত অক্ষৌহিণী সৈন্য প্রস্তুত, সাত্যকি-ভীম-নকুল-সহদেব একেকজনই হাজার অক্ষৌহিণীর সমান, অর্জুন একাই এগারো অক্ষৌহিণী জয় করতে পারেন, আর কৃষ্ণ তো আছেনই। এমন শক্তির সাথে যুদ্ধ করার সাহস কার আছে? তাই সময় থাকতে পাণ্ডবদের ন্যায্য অংশ ফিরিয়ে দিন।"
পুরোহিতের কথা শুনে ভীষ্ম প্রশংসা করে বললেন, "ব্রাহ্মণ! খুব ভালো লাগল শুনে যে পাণ্ডবরা কৃষ্ণের সাথে কুশলে আছেন, অন্য রাজাদের সাহায্যও পেয়েছেন। তাঁরা এখনও যুদ্ধ এড়িয়ে সন্ধি চান জেনে আরও ভালো লাগল। অর্জুনের মতো বলবান আর অস্ত্রবিদ্যায় নিপুণ কেউ নেই—তার সামনে দাঁড়ানোর সাহস কার আছে? স্বয়ং ইন্দ্রেরও নেই। আমার তো মনে হয় অর্জুনই ত্রিভুবনের সেরা বীর।"
এই কথায় কর্ণ রেগে গিয়ে মাঝপথে বলে উঠলেন, "ব্রাহ্মণ! অর্জুনের বীরত্বের কথা কে না জানে, বারবার বলে লাভ কী? এসব তো পুরনো কথা। শকুনি পাশায় যুধিষ্ঠিরকে হারিয়েছিলেন, সেই শর্ত অনুযায়ী তাঁদের বনে যেতে হয়েছিল। সেই শর্ত পুরো না করেই মৎস্য-পাঞ্চালের ভরসায় মূর্খের মতো রাজ্য চাইছেন তাঁরা। দুর্যোধন ভয়ে এক চতুর্থাংশও দেবেন না। রাজ্য চাইলে প্রতিজ্ঞামতো আবার বনে যেতে হবে। যদি ধর্ম ভুলে যুদ্ধই করতে চান, তাহলে আমাদের বীরদের সামনে এলে বুঝবেন।"
ভীষ্ম শান্তভাবে জবাব দিলেন—"রাধাপুত্র! বেশি কথার দরকার নেই। মনে করো বিরাটনগরে অর্জুন একাই ছয় মহারথীকে হারিয়েছিল। তোমার বীরত্বও সেদিন প্রমাণিত হয়েছিল—বহুবার তার সামনে থেকে পালিয়েছ। আমরা যদি এই ব্রাহ্মণের কথা না শুনি, তাহলে পাণ্ডবদের হাতে আমাদের মৃত্যু অবধারিত।"
বি:দ্র: বিরাটনগরে অর্জুনের বিজয় ঝালিয়ে নিতে এখানে ক্লিক করুন
ধৃতরাষ্ট্র ভীষ্মকে সম্মান জানিয়ে কর্ণকে ধমক দিলেন, তারপর পুরোহিতকে সসম্মানে বিদায় দিয়ে বললেন সঞ্জয়কে পাণ্ডবদের কাছে পাঠাবেন।
সভায় ডেকে ধৃতরাষ্ট্র সঞ্জয়কে বললেন—"তুমি উপপ্লব্যে গিয়ে যুধিষ্ঠিরের কুশল জেনে এসো। তাঁকে বোলো যে তাঁরা ফিরে এসেছেন জেনে আমি খুশি হয়েছি। তাঁরা এত কষ্ট পেয়েও আমাদের ওপর রাগ করেননি—সত্যিই তাঁরা নিষ্কপট, সজ্জন। আমি কখনো তাঁদের একটা দোষও খুঁজে পাইনি। দুর্যোধন আর কর্ণ ছাড়া তাঁদের আর কোনো শত্রুই নেই। মূর্খ দুর্যোধন পাণ্ডবদের বেঁচে থাকতেই তাদের অংশ কেড়ে নিতে চায়—অথচ যাঁর পাশে অর্জুন, কৃষ্ণ, ভীম, সাত্যকি, নকুল-সহদেব আছেন, তাঁকে যুদ্ধের আগেই অংশ দিয়ে দেওয়া ভালো। আমি সবচেয়ে বেশি ভয় পাই যুধিষ্ঠিরের ক্রোধকে—কারণ তিনি তপস্বী, তাঁর সংকল্প সবসময় সফল হয়। সঞ্জয়, তুমি গিয়ে এমনভাবে কথা বলো যাতে দুই বংশের মধ্যে যুদ্ধ না বাধে।"
সঞ্জয় রওনা হলেন উপপ্লব্যের দিকে। যুধিষ্ঠিরকে প্রণাম করে হাসিমুখে বললেন, "রাজন, সবাইকে কুশলে দেখে বড় ভালো লাগল। ধৃতরাষ্ট্র আপনার কুশল জিজ্ঞেস করেছেন।"
যুধিষ্ঠির তাঁকে স্বাগত জানিয়ে জিজ্ঞেস করলেন পিতামহ ভীষ্ম, ধৃতরাষ্ট্র, বাহ্লীক, সোমদত্ত, ভূরিশ্রবা, শল্য, দ্রোণ, কৃপাচার্য—সবাই ভালো আছেন কিনা, রাজ্যের সাধারণ মানুষ, রাঁধুনি-চাকরবাকর সবাই স্বচ্ছন্দে আছে কিনা।
বি:দ্র:বাহ্লীকের কথা জানতে এখানে ক্লিক করুন
বি:দ্র: ভূরিশ্রবার মর্মান্তিক কাহিনি জানতে এখানে ক্লিক করুন
জিজ্ঞেস করলেন দুর্যোধন ব্রাহ্মণদের সাথে আগের মতোই ব্যবহার করছেন কিনা, তাঁদের বৃত্তি ফিরিয়ে নেননি তো। তারপর একটু তীক্ষ্ণ স্বরে বললেন, "প্রজারা কি কখনো একত্র হয়ে ধৃতরাষ্ট্রকে আমাকে রাজ্যাংশ দেওয়ার কথা বলেন? ডাকাত-লুটেরা দেখলে কি তাঁদের অর্জুনের কথা মনে পড়ে, যে একসাথে একষট্টিটা বাণ ছুড়তে পারে? ঘোষযাত্রায় যখন দুর্যোধনরা বন্দি হয়েছিলেন, ভীম-অর্জুনই তাঁদের বাঁচিয়েছিলেন—সেটা কি তাঁর মনে আছে? আমার মনে হয়, একবারের উপকারে দুর্যোধনের মতি ফিরবে না, যতক্ষণ না সে সম্পূর্ণ পরাজিত হয়।"
সঞ্জয় বললেন, "আপনি ঠিকই বলেছেন। সবাই ভালো আছেন। ধৃতরাষ্ট্র নিজেই তাঁর ছেলেদের আপনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করতে বারণ করেন, আপনাদের প্রতি তাঁদের ব্যবহারে তিনি নিজেও কষ্ট পান। যুদ্ধের প্রসঙ্গ এলেই তিনি অর্জুন-ভীম-নকুল-সহদেবের কথা ভেবে চিন্তিত হন। এখন আপনিই এমন পথ দেখান যাতে কৌরব-পাণ্ডব-সৃঞ্জয় সবাই সুখে থাকতে পারে।"
যুধিষ্ঠির বললেন কৃষ্ণ, সাত্যকি, বিরাট—সবাই এখানে উপস্থিত, ধৃতরাষ্ট্রের বার্তা বলা যেতে পারে।
সঞ্জয় বললেন, "ধৃতরাষ্ট্র শান্তি চান, যুদ্ধ নয়। আপনারা দিব্যগুণসম্পন্ন, ধর্মপরায়ণ, সরল—আপনাদের দ্বারা কোনো অন্যায় সম্ভবই নয়। যুদ্ধের মতো ঘোর কর্মে, যেখানে জয়-পরাজয় সমান অনিশ্চিত, কোন্ বুদ্ধিমান প্রবৃত্ত হতে চায়? আমি হাতজোড় করে অনুরোধ করছি, যাতে কৌরব আর সৃঞ্জয় বংশের মঙ্গল হয়, সেই পথে চলুন। কৃষ্ণ আর অর্জুন নিশ্চয়ই আমার এই অনুরোধ ফেলবেন না। সন্ধিই শান্তির শ্রেষ্ঠ উপায়—এই মত ভীষ্ম আর ধৃতরাষ্ট্রেরও।"
যুধিষ্ঠির একটু গম্ভীর হয়ে বললেন, "সঞ্জয়, তুমি কী শুনেছ যে ভাবছ আমার যুদ্ধের ইচ্ছা আছে? যুদ্ধ না করাই তো ভালো। সন্ধির প্রস্তাব পেলে কে-ই বা যুদ্ধ চাইবে? বিনা যুদ্ধে সামান্য লাভও যথেষ্ট, এটাই আমি মনে করি। বনে আমরা যে কষ্ট পেয়েছি, তা তুমি জানো, তবু তোমার কথায় আমরা কৌরবদের ক্ষমা করতে রাজি। কিন্তু শান্তি তখনই সম্ভব, যখন ইন্দ্রপ্রস্থ আমাদের রাজ্য হিসেবে ফিরিয়ে দেওয়া হবে, আর দুর্যোধন তা মেনে নেবেন।"
সঞ্জয় বললেন, "পাণ্ডুনন্দন, আপনার প্রতিটি কাজ ধর্মসম্মত—এ কথা সবাই জানে। জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও কীর্তির মধ্য দিয়ে মানুষ অমর হতে পারে—এই কথা ভেবে নিজের কীর্তি নষ্ট করবেন না। কৌরবরা যদি বিনা যুদ্ধে অংশ না দেয়, তাহলে যুদ্ধ করে সব রাজ্য পাওয়ার চেয়ে বৃষ্ণিবংশের রাজ্যে ভিক্ষা করে বাঁচাও ভালো বলে মনে করি। জীবন এত ছোট, এত ক্ষণস্থায়ী—এই সংহার আপনার যশের অনুকূল নয়। যুদ্ধের বদলে চিরকালের জন্য বনবাসই ভালো—তাতে দুঃখ আছে ঠিকই, কিন্তু ধর্ম আছে। আপনার বুদ্ধি তো কখনো অধর্মে যায় না, তাহলে কেন এখন এমন কাজ করতে চাইছেন?"
যুধিষ্ঠির শান্তভাবে উত্তর দিলেন—"সঞ্জয়, ধর্মই যে সর্বশ্রেষ্ঠ, তা ঠিক। কিন্তু আমি যা করতে চলেছি তা ধর্ম না অধর্ম, আগে সেটা বিচার করো। কোথাও অধর্ম ধর্মের বেশ ধরে, কোথাও ধর্মই অধর্মের মতো দেখায়, আবার কোথাও ধর্ম নিজ রূপেই থাকে। বিদ্বানরা নিজের বুদ্ধি দিয়ে সেটা যাচাই করেন। একজনের কাছে যা ধর্ম, অন্যের কাছে তা অধর্ম হতে পারে। বিপদের সময় ধর্মের কিছুটা পরিবর্তন ঘটে—সেটাই স্বাভাবিক। জীবিকা সম্পূর্ণ নষ্ট হলে যে বৃত্তি জীবন বাঁচায়, সেটাই তখন অবলম্বন করা উচিত। আমার পিতৃপুরুষরা যে পথ মেনে এসেছেন, আমিও সেই পথই মানি, তার বেশি নয়—আমি নাস্তিক নই। এই জগতের কিংবা স্বর্গের সব ঐশ্বর্যও যদি অধর্ম দিয়ে পাওয়া যায়, আমি তা চাই না। এখানে কৃষ্ণ আছেন, যিনি ধর্মের সব দিক জানেন, নীতিজ্ঞ, বিচক্ষণ। আমি যদি সন্ধি ছেড়ে বা যুদ্ধ করে ধর্মভ্রষ্ট হই, তাহলে কৃষ্ণই এর বিচার করুন—কারণ তিনি দুই পক্ষেরই মঙ্গল চান, তিনিই প্রতিটি কর্মের পরিণাম জানেন। তাঁর কথাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড়, তা আমরা কখনো অমান্য করতে পারি না।"
সভা তখন নিস্তব্ধ। শান্তির প্রস্তাব আর সংঘাতের ছায়া—দুটোই যেন একসাথে দাঁড়িয়ে ছিল সেই মুহূর্তে, আর সবাই জানত, শেষ কথাটা বলবেন যিনি, তাঁর নাম কৃষ্ণ।
বি:দ্র: এর পরবর্তী অংশে থাকবে সঞ্জয়ের প্রতি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উক্তি
বি: দ্র: আমি সংক্ষিপ্ত মহাভারতের আদি পর্ব ৭১তম ভাগে, সভা পর্ব ১৬তম ভাগে, বনপর্ব ৬৫তম ভাগে এবং বিরাট পর্ব ১১ভাগে সম্পন্ন করেছি। এখন চলছে সংক্ষিপ্ত মহাভারতের উদ্যোগপর্বের তৃতীয়ভাগের আলোচনা। এখন উদ্যোগপর্ব চলবে।
উদ্যোগপর্বের দ্বিতীয়ভাগের সংক্ষিপ্ত আলোচনা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত ভাগ এই ব্লগে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ।
সংক্ষিপ্ত মহাভারতের বিষয়সূচি (Indexes of Brief Mahabharata )
আপনার যদি কোনো জিজ্ঞাসা, প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকে, তবে নিচের comment boxএ লিখুন :

Comments
Post a Comment