অন্ধকারের রাজপ্রাসাদে এক ফালি বিষাদের আলো
অন্ধকারের রাজপ্রাসাদে এক ফালি বিষাদের আলো ইন্দ্রলোকের মেঘের রাজ্যে তখন অর্জুন। মর্ত্যের কোনো মানুষের হাত যা ছুঁতে পারেনি, সেইসব অলৌকিক দৈবাস্ত্রের গোপন বিদ্যা তিনি আয়ত্ত করছেন একাগ্র মনে। কিন্তু ক্ষমতার সেই অলৌকিক খবর তো শুধু স্বর্গের দেবতারা জানবেন না, তা একসময় চুইয়ে নামল মর্ত্যের মাটিতেও। হস্তিনাপুরের অন্ধ রাজা ধৃতরাষ্ট্রের কানে যখন এই সংবাদ পৌঁছাল, তখন তাঁর বুকের ভেতরটা একটা অজানা আশঙ্কায় কেঁপে উঠেছিল। ঠিক সেই সময়েই হস্তিনাপুরের রাজপ্রাসাদে পা রাখলেন মহর্ষি ব্যাসদেব। তিনি ধৃতরাষ্ট্রের সামনে এসে বসলেন। ব্যাসদেবের কণ্ঠস্বর ছিল শান্ত কিন্তু অমোঘ। তিনি কোনো লুকোছাপা না করে স্পষ্ট ভাষায় অন্ধ রাজাকে জানিয়ে দিলেন—মেঘের ওপারের সেই উচ্চতর জগতে অর্জুন কী কী অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। কোন কোন দিব্যাস্ত্র এখন তাঁর হাতের মুঠোয়, এবং ভবিষ্যতে কোন ভয়ানক উদ্দেশ্যে তিনি সেগুলো ব্যবহার করবেন, তার একটা নিখুঁত ছবি এঁকে দিলেন ব্যাসদেব। যা বলার তা বলা হয়ে গেলে, মহর্ষি আর এক মুহূর্তও দাঁড়ালেন না, নগরের ধুলো উড়িয়ে বিদায় নিলেন। ব্যাসদেব চলে যাওয়ার পর ধৃতরাষ্ট্র দীর্ঘক্ষণ একাকী বসে রইলেন। চারপাশের জমাট অন্ধ...