বুকের ভেতর বারুদ, চোখে প্রতিশোধের আগুন: যুধিষ্ঠিরের দরবারে ভীমের হুঙ্কার"
বুকের ভেতর বারুদ, চোখে প্রতিশোধের আগুন: যুধিষ্ঠিরের দরবারে ভীমের হুঙ্কার" দ্রৌপদীর সাথে যুধিষ্ঠিরের শান্ত, পরিমিত কথোপকথন যখন সন্ধ্যার অন্ধকারে মিলিয়ে গেল, তখনই ভীম উঠে দাঁড়ালেন। তিনি এতক্ষণ শুনছিলেন। যুধিষ্ঠিরের ক্ষমার মাহাত্ম্য, ধৈর্যের অকাট্য যুক্তি আর ধর্মের চুলচেরা বিশ্লেষণ—প্রতিটি শব্দ ভীম নিঃশব্দে গিলেছেন। কিন্তু যুধিষ্ঠিরের এক একটি বাক্য যত এগিয়েছে, ভীমের বুকের ভেতরের আগুনটা তত বিশাল, তত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। একসময় তা আর চেপে রাখা গেল না। ভীম এমন মানুষ নন যিনি মনের ভাব লুকিয়ে রাখতে পারেন। তিনি একটা দীর্ঘ, গভীর শ্বাস ফেললেন—যে শ্বাস কোনো বড় ঝড়ের আগে মানুষ নেয়—তারপর সোজা এগিয়ে গিয়ে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার সামনে এসে দাঁড়ালেন। যখন তিনি কথা বলতে শুরু করলেন, তাঁর কণ্ঠস্বরে ঝরে পড়ল এমন এক মানুষের জেদ, যে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। "আর্য," ভীম বললেন, "এবার সময় এসেছে একজন প্রকৃত ধার্মিকের মতো আচরণ করার। ধর্ম মানে কেবল প্রার্থনা আর অনন্ত ধৈর্য নয়, ধর্ম মানে একজন বীর এবং অকপট ক্ষত্রিয়ের কর্তব্য পালন। ওটাও ধর্ম। এবং ওটাই আমাদের আসল ধর্ম।" তিনি হাত দুটো ছড়িয়ে দিলেন। চারপ...