প্রথমভাগ উদ্যোগপর্ব -বিরাটসভায় এক অস্থির সন্ধ্যা: যুদ্ধের আগে শেষ কথার গল্প:
প্রথমভাগ উদ্যোগপর্ব -বিরাটসভায় এক অস্থির সন্ধ্যা: যুদ্ধের আগে শেষ কথার গল্প:
নারায়ণং নমস্কৃত্য নরঞ্চৈব নরোত্তমম্।
দেবীং সরস্বতীং ব্যাসং ততো জয়মুদীরয়েৎ।।
এটি মহাভারতের বিখ্যাত মঙ্গলাচরণ শ্লোক। শব্দে-শব্দে অর্থ নিচে দেওয়া হলো —
**পদ-বিশ্লেষণ ও অর্থ:**
- **নারায়ণম্** — নারায়ণ (ভগবান বিষ্ণু)-কে
- **নমস্কৃত্য** — নমস্কার করে / প্রণাম জানিয়ে
- **নরম্** — নর (ঋষি নর, নারায়ণের সহচর)-কে
- **চ এব** — এবং, তথা (জোর দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত)
- **নরোত্তমম্** — নরশ্রেষ্ঠ, মানবশ্রেষ্ঠ (এখানে নর ঋষির প্রতি বিশেষণ, অথবা কারও কারও মতে অর্জুনকেও বোঝানো হয়)
- **দেবীম্** — দেবী(কে)
- **সরস্বতীম্** — সরস্বতী (বিদ্যা ও বাক্-দেবী)-কে
- **ব্যাসম্** — মহর্ষি বেদব্যাস (মহাভারতের রচয়িতা)-কে
- **ততঃ** — তারপর
- **জয়ম্** — "জয়" (মহাভারতের আদি নাম "জয়")
- **উদীরয়েৎ** — উচ্চারণ করা উচিত / পাঠ করা উচিত
**সামগ্রিক অর্থ:**
নারায়ণকে প্রণাম করে, নর ও নরোত্তম-কে (ঋষি নর ও তাঁর সহচরকে), দেবী সরস্বতী ও মহর্ষি ব্যাসকে স্মরণ করে, তারপর "জয়" (অর্থাৎ মহাভারত) গ্রন্থ পাঠ আরম্ভ করা উচিত।
শ্লোকের শেষ অংশে বলা হয়েছে "ততো জয়মুদীরয়েৎ"। প্রাচীনকালে মহর্ষি বেদব্যাস রচিত মহাভারতের মূল রূপটির নাম ছিল 'জয়'। পরবর্তীতে তা আঠারো হাজার শ্লোকে বর্ধিত হয়ে 'ভারত' এবং অবশেষে এক লক্ষ শ্লোকে রূপ নিয়ে 'মহাভারত' নাম লাভ করে।
এটি মূলত একটি মঙ্গলাচরণ বা আশীর্বাদমূলক শ্লোক, যা যে-কোনো শাস্ত্রপাঠ শুরুর আগে ঐতিহ্যগতভাবে উচ্চারিত হয় — বিশেষত মহাভারত পাঠের ক্ষেত্রে এটি প্রথম শ্লোক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
*******************************************
অভিমন্যুর বিয়ে মিটে গেছে। যাদবদের সঙ্গ পেয়ে পাণ্ডবদের মনটা তখন বেশ হালকা, প্রায় ভুলেই গেছেন যে সামনে আরও একটা ঝড় অপেক্ষা করছে। রাতটা বিশ্রামেই কাটল, আর পরদিন সকালে সবাই এসে বসলেন বিরাটের সভায়।
সভাঘরে তখন এক আশ্চর্য দৃশ্য। সবচেয়ে সম্মানের আসনে বসলেন বিরাট আর দ্রুপদ, দুই বৃদ্ধ রাজা। তাঁদের পাশে বসুদেবকে নিয়ে বসলেন বলরাম আর কৃষ্ণ। সাত্যকি গিয়ে বসলেন দ্রুপদের কাছে। কৃষ্ণ আর যুধিষ্ঠির বসলেন বিরাটের পাশে। আর তাঁদের পেছনে সারি দিয়ে বসলেন দ্রুপদপুত্ররা, ভীম, অর্জুন, নকুল, সহদেব, প্রদ্যুম্ন, শাম্ব—একে একে সব চেনামুখ। অভিমন্যু আর দ্রৌপদীর ছেলেরা বসল বিরাটপুত্রদের পাশে, সোনায় মোড়া সুন্দর সিংহাসনে। এমন একটা সভা—এত রাজা, এত বীর একসাথে—কালেভদ্রেই দেখা যায়।
সবাই বসার পর একটু গুঞ্জন উঠল, টুকরো টুকরো কথাবার্তা। তারপর সবাই তাকালেন কৃষ্ণের দিকে। যেন গোটা সভা অপেক্ষা করছিল, কৃষ্ণ কী বলেন সেটা শোনার জন্য।
কৃষ্ণ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, শকুনি যেভাবে ছলনা করে পাশা খেলায় যুধিষ্ঠিরকে হারিয়েছিল, রাজ্য কেড়ে নিয়েছিল, বনবাসে পাঠিয়েছিল—সে কথা তো সবার জানা। অথচ পাণ্ডবরা চাইলে সেদিনই বলপ্রয়োগ করে সব ফিরিয়ে নিতে পারতেন। করেননি, কারণ তাঁরা সত্যে অটল। তেরোটা বছর তাঁরা নিয়ম মেনে কষ্ট সয়েছেন। এখন এমন একটা পথ বের করতে হবে, যাতে দুই পক্ষেরই ভালো হয়—কারণ যুধিষ্ঠির অন্যায়ের জোরে রাজত্ব চান না, একটা গ্রাম হলেও তিনি খুশি, যদি তা ধর্মসম্মতভাবে আসে। ধৃতরাষ্ট্রের ছেলেদের প্রতি এত কষ্ট পাওয়ার পরেও যুধিষ্ঠিরের মনে তাদের জন্য কোনো বিদ্বেষ নেই, শুধু তিনি নিজের রাজ্যটা ফিরে পেতে চান, যা তিনি নিজের বাহুবলে জয় করেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই কৌরবরা যেভাবে তাঁদের ক্ষতি করার চেষ্টা করে এসেছে, সেটাও কারো অজানা নয়। এখন দরকার একজন যোগ্য, ধর্মপরায়ণ দূতকে পাঠানো, যিনি গিয়ে দুর্যোধনের মত জেনে আসবেন—কারণ তার সিদ্ধান্ত না জেনে এখান থেকে কিছুই ঠিক করা যাচ্ছে না।
কৃষ্ণের কথা শেষ হতেই বলরাম উঠে দাঁড়ালেন, প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন ভাইয়ের ভাষণকে। বললেন, এই কথা যেমন যুধিষ্ঠিরের ভালোর জন্য, তেমনই দুর্যোধনেরও ভালোর জন্য। দূত পাঠানো হোক, আপোস হোক—এতে তিনি খুশিই হবেন। কিন্তু দূত যখন কৌরবসভায় যাবে, তখন যেন খুব সন্তর্পণে কথা বলে, কাউকে অসন্তুষ্ট না করে। বলরামের মতে, কৌরবরা তো নিজেদের ক্ষমতাতেই রাজ্য জিতে নিয়েছিল, পাশা খেলায় শকুনি জিতলে তাকে দোষ দেওয়া যায় না—কারণ যুধিষ্ঠির নিজেও তো পাশা খেলার নেশায় মজেছিলেন। তাই অর্ধেক রাজ্য দাবি করাই ভালো, দুর্যোধন যদি তা দেয়, তবেই যথেষ্ট।
এই কথাটাই যেন আগুনে ঘি ঢালল। বলরামের ভাষণ শেষ হতে না হতেই সাত্যকি লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালেন, চোখে-মুখে স্পষ্ট অসন্তোষ। বললেন, মানুষের হৃদয় যেমন, কথাও তেমনই বেরোয়—আপনার কথাতেও সেটাই ফুটে উঠেছে। পৃথিবীতে বীরও আছে, কাপুরুষও আছে। ঠিকই যে যুধিষ্ঠির পাশায় পটু নন, শকুনি দক্ষ। কিন্তু যুধিষ্ঠিরের তো পাশা খেলার কোনো ইচ্ছাই ছিল না, তবু তাঁকে ডেকে এনে ঠকানো হয়েছিল—এটাকে কি ন্যায্য জয় বলা যায়? আর এখন তো যুধিষ্ঠির বনবাসের শর্তও পূর্ণ করেছেন, তিনি এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন, নিজের পৈতৃক রাজ্যের ন্যায্য অধিকারী। এমন অবস্থায় তিনি ভিক্ষা চাইবেন কেন? ভীষ্ম, দ্রোণ, বিদুর—সবাই বহুবার বুঝিয়েছেন দুর্যোধনকে, তবু সে রাজ্য ফেরাতে রাজি হয়নি। সাত্যকি স্পষ্ট বললেন—এবার আর মিষ্টি কথায় কাজ হবে না, রণক্ষেত্রেই তিনি নিজের বাণ দিয়ে দুর্যোধনদের শিক্ষা দেবেন, প্রয়োজনে যমালয়ে পাঠিয়ে দেবেন। অর্জুনের গাণ্ডীব, কৃষ্ণের চক্র, ভীমের বল, নকুল-সহদেবের ধনুক, বিরাট-দ্রুপদের বীরত্ব, আর নিজের বেগ—এসব সামলানোর ক্ষমতা কার আছে? আততায়ীকে হত্যায় কোনো পাপ নেই, কিন্তু শত্রুর কাছে ভিক্ষা চাওয়া—সেটাই আসল অধর্ম আর অপযশ।
বি:দ্র:সাত্যকির অগ্নিশিখার গল্প জানতে এখানে ক্লিক করুন
সাত্যকির এই আগুনে বক্তব্যের পর কথা বললেন দ্রুপদ, একটু শান্ত সুরে হলেও একই দিকে ইঙ্গিত করে। তিনি বললেন, দুর্যোধন এত সহজে রাজ্য ছাড়বে না—পুত্রস্নেহে ধৃতরাষ্ট্রও তার পক্ষ নেবেন, ভীষ্ম-দ্রোণ অসহায়তা থেকে চুপ থাকবেন, কর্ণ-শকুনি মূর্খতাবশত তাকেই সমর্থন করবে। বলরামের কথাও তাঁর ঠিক মনে হয়নি, তবু শান্তিপ্রিয় মানুষদের এভাবেই এগোতে হয়। দ্রুপদের পরামর্শ—দূত পাঠানো হোক ঠিকই, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে অন্য প্রস্তুতিও চলুক। মিত্রদের কাছে খবর পাঠাতে হবে, সৈন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। শল্য, ধৃষ্টকেতু, জয়ৎসেন, কেকয়রাজ—সবার কাছে দ্রুত দূত পাঠানো দরকার, কারণ দুর্যোধনও নিশ্চয়ই একই কাজ করবে, আর যে আগে পৌঁছাবে, রাজারা তারই ডাকে সাড়া দেবেন।
কৃষ্ণ সায় দিলেন দ্রুপদের কথায়। বললেন, বয়স আর জ্ঞানে দ্রুপদই সবচেয়ে প্রবীণ, তাঁরা সবাই যেন তাঁর শিষ্যের মতো। তাই দ্রুপদের পরামর্শমতোই এগোনো উচিত। ধৃতরাষ্ট্র যদি ন্যায্যভাবে সন্ধি করেন, তাহলে যুদ্ধ এড়ানো যাবে। আর দুর্যোধন যদি অহংকারে সন্ধি না মানেন, তাহলে অর্জুনের গাণ্ডীব ক্রুদ্ধ হলে দুর্যোধনকে তার সব আত্মীয়-পরামর্শদাতাসহ নিশ্চিহ্ন হতে হবে।
সভা শেষ হলো। বিরাট কৃষ্ণকে যথাযোগ্য সম্মান জানালেন, আর কৃষ্ণ বন্ধু-আত্মীয়দের নিয়ে ফিরে গেলেন দ্বারকায়। এদিকে যুধিষ্ঠির আর বিরাট লেগে পড়লেন যুদ্ধের প্রস্তুতিতে। বিরাট, দ্রুপদ আর তাঁদের আত্মীয়স্বজন সব রাজার কাছে সাহায্যের বার্তা পাঠাতে লাগলেন।
দ্রুপদ নিজের পুরোহিতকে ডাকলেন। বললেন, প্রাণীদের মধ্যে বুদ্ধিমানরাই শ্রেষ্ঠ, মানুষের মধ্যে ব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণের মধ্যে বিদ্বান, বিদ্বানের মধ্যে সিদ্ধান্তজ্ঞানী, আর তাঁদের মধ্যেও শ্রেষ্ঠ যিনি ব্রহ্মকে জানেন। "আপনি সেই শ্রেণীর মানুষ," দ্রুপদ বললেন, "আপনার বুদ্ধি শুক্রাচার্য আর বৃহস্পতির মতো। আপনি জানেন কৌরবরা কীভাবে ঠকিয়েছে, শকুনি কীভাবে কপটতা করেছে—তারা সহজে রাজ্য ফেরাবে না। আপনি গিয়ে ধৃতরাষ্ট্রকে ধর্মের কথা বুঝিয়ে তাঁর মন গলাতে পারবেন, ভীষ্ম-দ্রোণ-কৃপের মধ্যে মতভেদও তৈরি করতে পারবেন। তাঁরা যখন নিজেদের মধ্যেই মতানৈক্যে ব্যস্ত থাকবেন, ততক্ষণে আমরা সৈন্য আর অর্থ জোগাড় করে নেব। আপনি যত বেশিদিন সেখানে থাকবেন, ততই আমাদের সুবিধা।" পুরোহিতকে তিনি অনুরোধ করলেন পুষ্যা নক্ষত্রের শুভ মুহূর্তে রওনা হতে।
পুরোহিত রওনা হলেন হস্তিনাপুরের পথে, শিষ্যদের নিয়ে। আর পাণ্ডবরা লাগলেন অন্য রাজাদের কাছে দূত পাঠানোর কাজে। কৃষ্ণকে নিজেদের পক্ষে আনার জন্য অর্জুন নিজেই রওনা দিলেন দ্বারকার দিকে।
কিন্তু দুর্যোধনও বসে ছিলেন না। গুপ্তচরের মাধ্যমে তিনিও সব খবর পাচ্ছিলেন। কৃষ্ণ দ্বারকায় ফিরেছেন শুনেই তিনি নিজেও কয়েকজন সৈন্য নিয়ে দ্বারকার পথ ধরলেন। আশ্চর্যের ব্যাপার, অর্জুনও পৌঁছালেন সেই একই দিনে।
দুজনে গিয়ে দেখলেন কৃষ্ণ তখন ঘুমাচ্ছেন। দুর্যোধন কোনো দ্বিধা না করে সোজা গিয়ে বসলেন কৃষ্ণের শয্যার মাথার দিকে, একটা সুন্দর আসনে। অর্জুন তাঁর পেছনে ঢুকে বিনয়ে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রইলেন কৃষ্ণের পায়ের কাছে। ঘুম ভাঙতেই কৃষ্ণের চোখে প্রথমে পড়লেন অর্জুন। দুজনকে আপ্যায়ন করে তিনি জানতে চাইলেন, কী মনে করে এসেছেন তাঁরা।
দুর্যোধন হেসে বললেন, পাণ্ডবদের সঙ্গে যুদ্ধ প্রায় নিশ্চিত, আর তাতে কৃষ্ণের সাহায্য চাই তাঁর। অর্জুনের সঙ্গে যেমন বন্ধুত্ব, তেমনই তো দুর্যোধনের সঙ্গেও সম্পর্ক আছে—আর আজ তো তিনিই আগে এসেছেন, সৎ মানুষ তো তাকেই অগ্রাধিকার দেয় যে আগে আসে।
কৃষ্ণ শান্তভাবে বললেন, ঠিক আছে, আপনি আগে এসেছেন, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু চোখ খুলে আমি প্রথম দেখেছি অর্জুনকে। তাই দুজনকেই সাহায্য করব। তাঁর কাছে এক অক্ষৌহিণী গোপসেনা আছে, তাঁরই মতো বলবান আর যুদ্ধে দক্ষ, নাম নারায়ণী সেনা। একদিকে থাকবে সেই বিশাল বাহিনী, অন্যদিকে থাকবেন স্বয়ং কৃষ্ণ—কিন্তু তিনি অস্ত্র ধরবেন না, যুদ্ধও করবেন না। অর্জুন ছোট, তাই ধর্মমতে তাঁরই আগে বেছে নেওয়ার অধিকার।
অর্জুন এক মুহূর্তও দেরি না করে বেছে নিলেন কৃষ্ণকে। দুর্যোধন তখন মনে মনে খুশি হয়ে নিয়ে নিলেন গোটা গোপসেনা। তারপর গেলেন বলরামের কাছে, সব জানালেন। বলরাম বললেন, কৃষ্ণ ছাড়া তিনি এক মুহূর্তও থাকতে পারেন না, তাই ভাইয়ের মনোভাব বুঝে ঠিক করেছেন—না অর্জুনের পক্ষে যাবেন, না দুর্যোধনের। এই বলে দুর্যোধনকে আলিঙ্গন করলেন তিনি।
দুর্যোধন তখন গোপসেনা পেয়ে নিজেকে বিজয়ী ভাবতে শুরু করেছেন। এরপর গেলেন কৃতবর্মার কাছে, আর সেখান থেকেও পেলেন এক অক্ষৌহিণী সেনা। মনে আনন্দ নিয়ে দুর্যোধন রওনা দিলেন নিজের রাজ্যের পথে।
বি:দ্র: বীর কৃতবর্মার এক অসমাপ্ত কাহিনি
দুর্যোধন চলে যাওয়ার পর কৃষ্ণ অর্জুনকে জিজ্ঞেস করলেন—"আমি তো যুদ্ধই করব না, তাহলে আমাকে নিয়ে তোমার লাভ কী?" অর্জুন উত্তর দিলেন, তাঁর মনে বহুদিনের ইচ্ছা—কৃষ্ণকে সারথি করার। কৃষ্ণ হেসে বললেন, তবে তাই হোক, তিনিই হবেন অর্জুনের সারথি।
এই কথায় অর্জুনের মন ভরে উঠল আনন্দে। কৃষ্ণ আর যাদববংশের প্রধানদের নিয়ে তিনি ফিরে এলেন যুধিষ্ঠিরের কাছে। আর কে জানত, সেদিনের এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটাই—রথের লাগাম হাতে কৃষ্ণকে বেছে নেওয়া—একদিন গোটা কুরুক্ষেত্রের ভাগ্য ঠিক করে দেবে।
বি: দ্র: আমি সংক্ষিপ্ত মহাভারতের আদি পর্ব ৭১তম ভাগে, সভা পর্ব ১৬তম ভাগে, বনপর্ব ৬৫তম ভাগে এবং বিরাট পর্ব ১১ভাগে সম্পন্ন করেছি। এখন চলছে সংক্ষিপ্ত মহাভারতের উদ্যোগপর্বের প্রথমভাগের আলোচনা। এখন উদ্যোগপর্ব চলবে।
বিরাটপর্বের একাদশ ভাগের সংক্ষিপ্ত আলোচনা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত ভাগ এই ব্লগে পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ।
সংক্ষিপ্ত মহাভারতের বিষয়সূচি (Indexes of Brief Mahabharata )
আপনার যদি কোনো জিজ্ঞাসা, প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকে, তবে নিচের comment boxএ লিখুন :

Comments
Post a Comment