৪৮তম বনপর্ব- রক্তচক্ষু দ্বিজ ও ধর্মের গূঢ় লিপি: এক পতিব্রতার আখ্যান


৪৮তম বনপর্ব- রক্তচক্ষু দ্বিজ ও ধর্মের গূঢ় লিপি: এক পতিব্রতার আখ্যান

ধুন্ধুমারের সেই রক্তক্ষয়ী, প্রলয়ঙ্কর বীরত্বগাথা যখন শেষ হলো, সভাস্থলের পরিমণ্ডলে তখন এক গভীর স্তব্ধতা। পাণ্ডবশ্রেষ্ঠ যুধিষ্ঠিরের মনের গভীরে জেগে উঠেছে এক নতুন সংশয়, এক আশ্চর্য কৌতূহল। তিনি মহর্ষি মার্কণ্ডেয়ের দিকে ফিরে তাকালেন। তাঁর চোখ দুটিতে তখন প্রজ্ঞার আলো। মৃদু, গম্ভীর স্বরে তিনি বললেন, "মহর্ষিবর, ক্ষত্রিয়ের শৌর্যগাথা তো শুনলাম। কিন্তু এবার আমি জানতে চাই সেই অতি সূক্ষ্ম ধর্মের কথা, যা অতি সন্তর্পণে সমাজকে ধরে রাখে। পতিব্রতা নারীদের সেই অলৌকিক মাহাত্ম্যের কথা আমাকে বলুন।"

যুধিষ্ঠির একটু থামলেন, তাঁর কণ্ঠে এক গভীর আর্তি, "মাতা-পিতা ও গুরুজনদের সেবায় যে সন্তান নিজেকে উৎসর্গ করে, কিংবা যে নারী স্বামীকে দেবতাজ্ঞানে সেবা করে—এঁরা তো সর্বজনপূজ্য। কিন্তু এই সদাচার পালন করা তো মোটেও সহজ কাজ নয়। অল্পবয়সে পিতা-মাতার আর বিবাহের পর স্বামীর চরণে শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেদন করার চেয়ে কঠিন ধর্ম বোধহয় এই সংসারে আর দুটি নেই। হে মুনিবর, আপনি আমাকে সেই পাতিব্রত্যের নিগূঢ় রহস্য শোনান।"

মহর্ষি মার্কণ্ডেয় কিছুক্ষণ নীরব রইলেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি চলে গেল দূর অতীতে, যেন স্মৃতির জটাজাল থেকে খুঁজে নিচ্ছেন এক চিরন্তন সত্যকে। তারপর তিনি বলতে শুরু করলেন, "রাজন, মন দিয়ে শোনো। সতী নারীরা স্বামীর সেবায় পরম স্বর্গলোক লাভ করে। আর যে পুত্র মাতা-পিতাকে সন্তুষ্ট রাখে, সে ইহলোকে সুখ্যাতি অর্জন করে সনাতন ধর্মের প্রসার ঘটায়। তবে আজ প্রথমে তোমাকে পাতিব্রত্যের সেই পরম মহিমার কথাই বলি।"

বহুকাল আগের কথা। কৌশিক নামে এক পরম নিষ্ঠাবান, তপস্বী ব্রাহ্মণ ছিলেন। বেদ, বেদাঙ্গ আর উপনিষদ—সবই তাঁর নখদর্পণে। জ্ঞানের এক অহংকার হয়তো অলক্ষ্যেই তাঁর মনে বাসা বেঁধেছিল। একদিন এক গাছের ছায়ায় বসে গভীর অভিনিবেশ সহকারে তিনি বেদপাঠ করছিলেন। ঠিক সেই সময় গাছের ডালে বসা একটি বক পাখি তাঁর গায়ে বিষ্ঠা ত্যাগ করল।

মুহূর্তে ধ্যানভঙ্গ হলো ব্রাহ্মণের। অপমানে ও ক্রোধে তাঁর চোখ দুটি জবাফুলের মতো রক্তবর্ণ হয়ে উঠল। তিনি জ্বলন্ত দৃষ্টিতে সেই অবোধ বকটির দিকে তাকালেন—আর কী আশ্চর্য, ব্রাহ্মণের সেই ক্রুদ্ধ দৃষ্টির তেজে বেচারা পাখিটি তৎক্ষণাৎ গাছ থেকে ঝলসে মাটিতে পড়ে মরে গেল!

মৃত পাখিটার দিকে তাকিয়ে পরক্ষণেই কৌশিকের মনের ভেতরটা হু-হু করে উঠল। এক তীব্র অনুশোচনায় তাঁর বুকটা কেঁপে গেল। তিনি বিড়বিড় করে উঠলেন, "হায়! এ আমি কী করলাম! ক্রোধের বশে সামান্য একটা পাখির প্রাণ কেড়ে নিলাম?" নিজের এই আচরণের জন্য বারবার নিজেকে ধিক্কার দিতে দিতে তিনি ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে নিয়ে গ্রামের দিকে রওনা হলেন।

ঘুরতে ঘুরতে তিনি এসে দাঁড়ালেন এক পরিচিত গৃহস্থের দরজায়। হাঁক দিলেন, "মা, ভিক্ষা দাও।"

ভেতর থেকে এক অতি শান্ত, মধুর কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, "একটু দাঁড়াও বাবা, এখনই আনছি।"

সেই নারী তখন ঘরের এঁটো বাসন মাজছিলেন। কিন্তু ঠিক সেই মুহূর্তেই তাঁর স্বামী পরিশ্রান্ত ও ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘরে ফিরলেন। স্বামীকে দেখামাত্র সেই নারীর মন থেকে বাইরের অপেক্ষারত ব্রাহ্মণের কথা কর্পূরের মতো উবে গেল। তিনি মগ্ন হয়ে গেলেন স্বামীর সেবায়। জল এনে স্বামীর ক্লান্ত হাত-পা ধুইয়ে দিলেন, আসন পেতে বসালেন, পরম মমতায় থালায় অন্ন সাজিয়ে তাঁর সামনে ধরলেন।

হে যুধিষ্ঠির, সেই নারী প্রতিদিন স্বামীকে আহার করিয়ে তাঁর উচ্ছিষ্টকে প্রসাদ জ্ঞানে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করতেন। স্বামীই ছিলেন তাঁর জীবনের একমাত্র ধ্রুবতারা। মনে মনেও তিনি কখনও অন্য পুরুষের চিন্তা করেননি। হৃদয়ের সমস্ত প্রেম, সমস্ত ভাবনা স্বামীর চরণে সমর্পণ করে তিনি অনন্যমনে তাঁর সেবাতেই নিমগ্ন থাকতেন। গৃহকর্মে তিনি ছিলেন সুদক্ষ, শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা থেকে শুরু করে দেবপূজা, অতিথিসেবা বা ভৃত্যদের ভরণপোষণ—কোনো কিছুতেই তাঁর বিন্দুমাত্র অবহেলা ছিল না। দেহ এবং মন, দুই-ই ছিল তাঁর গঙ্গাজলের মতো নির্মল।

স্বামীর তাৎক্ষণিক শুশ্রূষা শেষ হতেই হঠাৎ সেই নারীর মনে পড়ে গেল বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রাহ্মণের কথা। এক তীব্র সংকোচ ও অপরাধবোধ নিয়ে তিনি ভিক্ষার পাত্র হাতে ছুটে গেলেন দরজার বাইরে।

বাইরে তখন কৌশিক ক্ষুধা, তৃষ্ণা আর অপমানে ফুঁসছেন। কপালে তাঁর চিন্তার ভাঁজ। নারীকে দেখামাত্র তিনি গর্জে উঠলেন, "দেবী, তোমার যদি এতই কাজ, তবে আমাকে 'দাঁড়াও বাবা' বলে আটকে রাখলে কেন? আমাকে বিদায় করে দিলেই তো পারতে! এ কেমন তোমার আতিথেয়তা?"

ব্রাহ্মণের এই রুদ্ররূপ দেখেও সেই সতী নারী বিন্দুমাত্র বিচলিত হলেন না। তিনি অত্যন্ত ধীর, শান্ত স্বরে বললেন, "পণ্ডিত মশাই, অপরাধ মার্জনা করবেন। আমার কাছে আমার স্বামীই পরম দেবতা। তিনি ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরেছিলেন। তাঁকে ক্ষুধার্ত রেখে আমি কী করে আসতাম? তাঁর সেবাতেই আমি ব্যস্ত ছিলাম।"

শুনে কৌশিকের ক্রোধের আগুন যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে উঠল, "কী বললে? একজন সামান্য গৃহস্থের কাছে ব্রাহ্মণ বড় নয়, স্বামীই সব থেকে বড়? তুমি গৃহস্থধর্মে থেকে ব্রাহ্মণদের অপমান করছ? দেবরাজ ইন্দ্রও যার কাছে মাথা নত করেন, তুমি সেই ব্রাহ্মণের তেজকে অবজ্ঞা করছ? তুমি কি জানো না, ব্রাহ্মণ ইচ্ছা করলে এই সমগ্র পৃথিবী পুড়িয়ে ভস্ম করে দিতে পারে?"

সেই সতী নারী এবারও অবিচল রইলেন। তাঁর ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক মৃদু, রহস্যময় হাসি। তিনি শান্ত স্বরে বললেন:

 "তপস্বী বাবা, মিছে রাগ করবেন না। আমি কিন্তু গাছের সেই বক পাখি নই যে আপনার লাল চোখের দৃষ্টিতে পুড়ে ছাই হয়ে যাব! ক্রোধ করে আপনি আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবেন না।"

কৌশিক স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তাঁর মেরুদণ্ড বেয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। ঘরের কোণে বসে থাকা এই নারী কী করে জানলেন বক পাখির কথা?

নারীটি বলতে লাগলেন, "আমি ব্রাহ্মণদের অপমান করিনি। ব্রাহ্মণের তেজ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন। ব্রাহ্মণের ক্রোধেই তো সমুদ্রের জল আজও অপেয়, মহর্ষির ক্রোধাগ্নিতেই আজও দণ্ডকারণ্য দগ্ধ হচ্ছে। বাতাপি রাক্ষসও অগস্ত্য মুনির উদরে গিয়ে হজম হয়ে গিয়েছিল—এসবই আমার জানা। কিন্তু আমার কাছে পতিসেবাই পরম ধর্ম। আর সেই ধর্মের বলেই আমি আপনার মনের খবর জেনে গেছি।"

তিনি আরও বললেন, "বাবা, মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু তো তার নিজের ভেতরেই বাস করে—তার নাম ক্রোধ। যে ক্রোধ ও মোহকে জয় করেছে, যে সত্য কথা বলে, গুরুজনদের সেবা করে, যে আঘাত পেয়েও প্রতিআঘাত করে না—দেবতাদের মতে সে-ই প্রকৃত ব্রাহ্মণ। শুধু বেদ মুখস্থ করলেই ব্রহ্মত্ব লাভ হয় না। ধর্মের প্রকৃতি অত্যন্ত সূক্ষ্ম। আমার মনে হয়, আপনার এখনও প্রকৃত তত্ত্বজ্ঞান হয়নি।"

একটু থেমে নারীটি বললেন, "ব্রাহ্মণদেব, 'পরম ধর্ম কী'—তা যদি আপনি সত্যিই জানতে চান, তবে অবিলম্বে মিথিলাপুরীতে যান। সেখানে মাতা-পিতার পরম ভক্ত, সত্যবাদী এক 'ধর্মব্যাধ' থাকেন। তিনি আপনাকে প্রকৃত ধর্মতত্ত্ব বুঝিয়ে দেবেন। আমার কোনো কথায় আঘাত পেয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন, কারণ নারীদের প্রতি তো সবাই দয়াবান হন।"

কৌশিকের ভেতরের সেই দম্ভের পাহাড় মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। তিনি শান্ত হয়ে বললেন, "দেবী, আমি তোমার ওপর অত্যন্ত প্রসন্ন হয়েছি। তুমি আমাকে যে জ্ঞান দিলে, তা আমার চোখ খুলে দিল। আমার কল্যাণ হলো। আমি এখনই মিথিলার উদ্দেশ্যে রওনা হব।"

মহর্ষি মার্কণ্ডেয় আবার বলতে শুরু করলেন, "রাজন, সেই পতিব্রতা রমণীর কথা শুনে কৌশিক বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। নিজের ক্রোধের কথা মনে করে তিনি নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগলেন। ধর্মের এই সূক্ষ্ম গতিপথ বোঝার জন্য তিনি কৌতূহলবশত মিথিলাপুরীর পথে রওনা হলেন।"

বহু জঙ্গল, গ্রাম ও নগর পেরিয়ে কৌশিক এসে পৌঁছালেন রাজা জনকের সুরক্ষিত, শোভাময় নগরী মিথিলায়। চারদিকে যজ্ঞের ধোঁয়া, বেদধ্বনি আর ধার্মিক মানুষের কোলাহল। কৌশিক নগরে পৌঁছে মানুষের কাছে খোঁজ করতে করতে অবশেষে ধর্মব্যাধের সন্ধান পেলেন।

কিন্তু সেখানে গিয়ে তো তাঁর চোখ চড়কগাছ! এ কেমন ধর্মাত্মা? এক কসাইখানায় বসে লোকটা দেদার পশুর মাংস বিক্রি করছে! রক্ত, চর্বি আর কাঁচা মাংসের দুর্গন্ধের মধ্যে বসে আছে সেই ব্যাধ। কৌশিক কিছুটা দূরে গিয়ে নাক সিঁটকে চুপচাপ বসে রইলেন।

কিন্তু ব্যাধ যেন ভেতর থেকেই বুঝতে পারল। সে বেচাকেনা বন্ধ করে তাড়াতাড়ি ব্রাহ্মণের কাছে এসে হাত জোড় করে প্রণাম করল। হাসিমুখে বলল, "ভগবান, আপনাকে স্বাগত। আমিই সেই ব্যাধ, যাকে খুঁজতে আপনি এত দূর কষ্ট করে এসেছেন। আমি এ-ও জানি, সেই পতিব্রতা নারীই আপনাকে আমার কাছে পাঠিয়েছেন।"

ব্যাধের এই অলৌকিক অন্তর্দৃষ্টি দেখে কৌশিক দ্বিতীয়বার স্তম্ভিত হলেন। ব্যাধ বিনীতভাবে বলল, "ঠাকুর, এই কসাইখানা আপনার মতো মানুষের উপযুক্ত স্থান নয়। চলুন, আমরা আমার গৃহে যাই।"

গৃহে পৌঁছে ধর্মব্যাধ পরম সমাদরে ব্রাহ্মণের পা ধুইয়ে বসার আসন করে দিল। কৌশিক আর কৌতুহল চেপে রাখতে পারলেন না। তিনি বললেন, "বাবা, মাংস বিক্রির এই ভয়ংকর আর ঘৃণ্য কাজ তোমার মতো জ্ঞানীর উপযুক্ত নয়। এ তো ঘোর অধর্ম!"

ব্যাধ অত্যন্ত শান্ত, ধীর স্বরে উত্তর দিল, "বিপ্রবর, এই কাজ আমি নিজের ইচ্ছায় বেছে নিইনি। এ আমার কুলধর্ম, পিতা-পিতামহের আমল থেকে চলে আসা ব্যবসা। কিন্তু আমি নিজে কোনো প্রাণী হত্যা করি না। অন্যের বধ করা মাংসই শুধু বিক্রি করি। আমি লোভ করি না, পরনিন্দা করি না। বৃদ্ধ মাতা-পিতার সেবা করি পরম যত্নে। দেবতা, অতিথি আর ভৃত্যদের আহার করিয়ে তবেই আমি নিজে রাতে আহার করি। এটাই আমার জীবনের পরম তপস্যা।"

ব্যাধ আরও বলতে লাগল, "মানুষ ভাবে বাহ্যিক আচার আর জটাজালই ধর্ম। কিন্তু আসল ধর্ম হলো অহংকার বর্জন আর নিজের কর্তব্যে অবিচল থাকা। যে কাজ নিজের আর অন্যের পক্ষে মঙ্গলজনক, তা-ই করা উচিত। যে পাপ করে ফেলার পর সত্যিকারের অনুতপ্ত হয়, সে সেই পাপ থেকে মুক্তি পায়। পাপী মানুষ হাপরের মতো অহংকারে ফুলে ওঠে, কিন্তু তার পুরুষার্থ বলে প্রকৃতপক্ষে কিছুই থাকে না। ইন্দ্রিয়সংযম আর ধর্মের বড় বড় কথা বললেই মানুষ শুদ্ধ হয় না, যদি না তার আচরণ শুদ্ধ থাকে।"

মাংস বিক্রেতা এক সামান্য ব্যাধের মুখে এই পরমাত্মার বাণী শুনে কৌশিক ব্রাহ্মণের মনের সমস্ত অন্ধকার কেটে গেল। তিনি বুঝলেন, ধর্ম কোনো তিলক-ফোঁটায় বা অরণ্যের নির্জনতায় থাকে না; ধর্ম থাকে অহংকারহীন কর্তব্যে, সেবায় আর শুদ্ধ চিত্তে।

কৌশিক ব্রাহ্মণ এবং ব্যাধের  পরমাত্মার কথপোকথন পরবর্তী  ৪৯তম ভাগে চলবে।

বি: দ্র: আমি সংক্ষিপ্ত মহাভারতের আদি পর্ব ৭১তম  ভাগে এবং সভা পর্ব ১৬তম ভাগে সম্পন্ন করেছি। এখন চলছে  সংক্ষিপ্ত মহাভারতের বনপর্বের   ৪৮তম ভাগের  আলোচনা  এবং এটি এগিয়ে চলবে।

বনপর্বের ৪৭তম  ভাগের সংক্ষিপ্ত আলোচনা পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত ভাগ এই ব্লগে পেতে নিচের লিংকগুলিতে  ক্লিক  করুন ।

সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি-সূচি পত্রের প্রথম পাতা (Index of Brief Mahabharata first page) 

সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি-সূচি পত্রের দ্বিতীয় পাতা (Index of Brief Mahabharata second page)

 সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- তৃতীয়  পাতা (Index of Brief Mahabharata) 

আপনার যদি কোনো জিজ্ঞাসা, প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকে, তবে নিচের comment boxএ লিখুন :



Comments

Popular posts from this blog

মহাভারতের সংক্ষিপ্ত বিষয়সূচি-প্রথম পাতা

মহাভারতের সংক্ষিপ্ত বিষয়সূচি- দ্বিতীয় পাতা

সত্যবতীর সন্তান ও হস্তিনাপুরের নিয়তি- বিচিত্রবীর্যের অকাল প্রয়াণ