৬৩তম বনপর্ব-সাবিত্রীর ভালোবাসার জয়গাথা: এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান-
৬৩তম বনপর্ব- সাবিত্রীর ভালোবাসার জয়গাথা: এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান- যুধিষ্ঠিরের অন্তরে বিষাদের ঘন মেঘ। রাজ্য হারিয়েছেন, বনবাসের কষ্ট সহ্য করছেন, কিন্তু সব ছাপিয়ে তাঁর বুকের ভেতর বিঁধছে দ্রৌপদীর দুঃখ। মুনি মার্কণ্ডেয়কে তিনি প্রশ্ন করলেন, "হে ঋষি, রাজত্ব হারানোর যন্ত্রণা তো আছেই, কিন্তু দ্রৌপদীর এই অপমান, এই কষ্ট আমার বুক ঝাঁঝরা করে দেয়। দ্রৌপদীর মতো এমন নিঃস্বার্থ, পতিব্রতা নারী কি এই পৃথিবীতে আর কেউ কখনো জন্মেছেন? আপনি কি এমন কারও কথা জানেন?" ঋষি মার্কণ্ডেয় এক মুহূর্ত থামলেন। তারপর মৃদু হেসে বললেন, "শোনো রাজন, তবে তোমাকে এক মহীয়সী নারীর কথা বলি। মদ্রদেশের রাজকন্যা সাবিত্রী—যে নামে আজও কুলকামিনীরা সৌভাগ্যের আলো খোঁজে।" ১. রাজকন্যার আত্মসংকোচ ও নিয়তির আহ্বান মদ্রদেশের রাজা অশ্বপতি ছিলেন অতিশয় ধর্মপরায়ণ, দাতা ও প্রজাবৎসল। কিন্তু একটিমাত্র খামতি তাঁর জীবনে অন্ধকার করে রেখেছিল—তিনি ছিলেন সন্তানহীন। অবশেষে দেবী সাবিত্রীর আরাধনা করে, তাঁরই কৃপায় তিনি লাভ করলেন পদ্মপলাশলোচনা এক কন্যাকে। দেবীর নামানুসারেই নাম রাখা হলো ‘সাবিত্রী’। কন্যা ক্রমশ বড় হয়ে উঠলেন। যেন সাক্...