Posts

মহাভারতের সংক্ষিপ্ত বিষয়সূচি-প্রথম পাতা

Image
     সংক্ষিপ্ত   মহাভারতের বিষয়সূচি-প্রথম পাতা (Index of Brief Mahabharata)  . সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- দ্বিতীয় পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন মহাভারতের আদি পর্বের  সংক্ষিপ্ত অংশ বিশেষ পুরু বংশের বর্ণনা -মহাভারতের আদিপর্বে বর্ণিত চন্দ্রবংশের অন্যতম গৌরবময় শাখা হলো পুরু রাজবংশ বা পৌরব রাজবংশ ।  উর্বশী- ঊরুসম্ভবা: স্বর্গের দর্পচূর্ণ ও এক চিরন্তন রূপকথা কালীয়দমন: কালিন্দীর বুকে এক মায়াবী নর্তক দেবতাদের অজেয় শত্রু: নিবাতকবচদের বিরুদ্ধে অর্জুনের মহাযুদ্ধ কামনার স্বর্গ ও মাতৃত্বের পুণ্য: উর্বশী-অর্জুনের সেই অনির্বাণ উপাখ্যান রাজা দুষ্যন্ত ও শকুন্তলার.গন্ধর্ব প্রথায়  বিবাহ শকুন্তলার পুত্র ভরতের জন্ম এবং রাজা দুষ্যন্ত কর্তৃক তাকে নিজের পুত্র হিসেবে গ্রহণ। দেবতা আর অসুরের লড়াই আর কচ ও দেবযানীর প্রেম।দেবতা আর অসুরের লড়াই তখন তুঙ্গে দেবযানী ও শর্মিষ্ঠা: দম্ভ এবং প্রতিশোধের উপাখ্যান।সব বড় অনর্থের মূলে থাকে খুব তুচ্ছ কোনো ঘটনা। যযাতি, দেবযানী ও শর্মিষ্ঠা: এক রাজার দুই নারী ও এক পুত্রের ত্যাগ। শুক্ৰাচার্যের আশ্রমের চারদিকের বনটা বড় ঘন, বড় রহস...

সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- তৃতীয় পাতা (Index of Brief Mahabharata) 

Image
  সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- তৃতীয়  পাতা (Index of Brief Mahabharata)  সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- দ্বিতীয় পাতা (Index of Brief Mahabharata)  সংক্ষিপ্ত   মহাভারতের বিষয়সূচি-প্রথম পাতা (Index of Brief Mahabharata)  ৩১তম বনপর্ব-গন্ধমাদনের ঝঞ্ঝা ও এক মায়াবী ডানার আশ্রয় ৩২তম বন পর্ব, গন্ধমাদনে দুই ভায়ের মিলন: ভীম যেদিন হনুমানের লেজ নাড়াতে পারেননি ৩৩তম বন পর্ব- গন্ধমাদনের পদ্ম আর ভীমসেনের দর্প ৩৪তম বন পর্ব -জটাসুর-বধ: ভীমসেনের বজ্রনির্ঘোষ ৩৫ তম বন পর্ব-গন্ধমাদনের ছায়ায় পাঁচ বছর: অর্জুনের প্রতীক্ষায় পাণ্ডব ৩৬তম বনপর্ব- গন্ধমাদনে ভীমের রণহুংকার ৩৭তম বন পর্ব-আলোকের তীরে অর্জুন: এক মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন ৩৮তম বন পর্ব-অর্জুনের স্বর্গ-প্রত্যাবর্তন: পাশুপত অস্ত্রলাভের রোমাঞ্চকর উপাখ্যান ৩৯তম বনপর্ব-অমরাবতীর রাজপথ ও অর্জুনের নিবাতকবচ যুদ্ধ ৪০তম বন পর্ব-মহাশূন্যের হিরণ্যপুরী এবং অর্জুনের অলৌকিক অস্ত্র  ৪১তম বনপর্ব- কৃষ্ণ- মার্কণ্ডেয় সংবাদ ও কর্মফলের গূঢ় রহস্য ৪২তম বনপর্ব- মৃত্যুর ওপারে মহাজীবন: দেবী সরস্বতীর মুখে ব্রহ্মজ্ঞানের গূঢ় ইশারা ৪...

মহাভারতের সংক্ষিপ্ত বিষয়সূচি- দ্বিতীয় পাতা

Image
 সংক্ষিপ্ত  মহাভারতের  বিষয়সূচি- দ্বিতীয় পাতা (Index of Brief Mahabharata)  সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি- তৃতীয়  পাতা (Index of Brief Mahabharata)  সংক্ষিপ্ত মহাভারতের  বিষয়সূচি-প্রথম পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন (Index of Brief Mahabharata)  মহাভারতের বন পর্বের অংশ বিশেষ। ১৬তম ভাগ- বন পর্ব - কাম্যকবনের অশ্রুজল ও তীর্থরাজের মহিমা ১৭তম ভাগ-বন পর্ব-কাম্যক বনের শূন্যতা ও পুণ্যতীর্থের আহ্বান অষ্টাদশ বনপর্ব-দেবরাজের বার্তা ও এক পুণ্যযাত্রার সূচনা ১৯তম বনপর্ব -তীর্থের পুণ্য ও এক রাজকন্যার ত্যাগ: অগস্ত্য-লোপামুদ্রার উপাখ্যান ২০তম বনপর্ব- পরশুরামের দর্পচূর্ণ: অযোধ্যাপথে এক মহাবিস্ময়ের ইতিহাস ২১তম বন পর্ব- সমুদ্র শোষক অগস্ত্যমুনি: এক মহাবৈপ্লবিক আখ্যান। ২২তম বনপর্ব- আকাশছোঁয়া অহংকার এবং এক ঋষির সামান্য চাতুরী: বিন্ধ্যের দর্পচূর্ণ ২৩তম বনপর্ব- স্বর্গাদপি গরীয়সী: ভগীরথের তপস্যা ও গঙ্গাবতরণের গাথা ২৪তম বনপর্ব অরণ্যের ঋষি, আকাশের মেঘ: ঋষ্যশৃঙ্গের উপাখ্যান ২৫তম বনপর্ব- তরঙ্গের গর্ভে ইতিহাস: মহেন্দ্র পর্বতে পরশুরামের মহাবিস্ময় ২৬তম বনপর্ব-প্রভাস তীর্...

৫০তম বনপর্ব-কার্তিকের জন্ম এবং তাঁর দেবসেনাপতিত্ব গ্রহণের উপাখ্যান

Image
৫০তম বনপর্ব-কার্তিকের জন্ম এবং তাঁর দেবসেনাপতিত্ব গ্রহণের উপাখ্যান যুধিষ্ঠির জিজ্ঞাসা করলেন-ভার্গবশ্রেষ্ঠ। স্বামী কার্তিকের জন্ম কীভাবে হয়েছিল এবং তিনি কেমন করে অগ্নিপুত্র হলেন, সেইসব কথা আমাকে যথাবৎ কৃপা করে বলুন। ঋষি মার্কণ্ডেয় বললেন-কুরুনন্দন। আমি তোমাকে স্বামী কার্তিকের জন্ম বৃত্তান্ত শোনাচ্ছি। পূর্বকালে দেবতা এবং অসুর নিজেদের মধ্যে প্রায়ই সংগ্রামে রত থাকতেন। ভয়ংকর রূপধারণকারী অসুররা দেবতাদের সর্বদাই পরাজিত করত। ইন্দ্র যখন বারবার তাঁর সেনাদের নাশ হতে দেখলেন, তখন তিনি মানস পর্বতে গিয়ে এক শ্রেষ্ঠ সেনাপতি কী করে লাভ করা যায় তার জন্য চিন্তা করতে লাগলেন। সেইসময় তিনি এক নারীর করুণ আর্তনাদ শুনতে পেলেন। সে বারংবার চেঁচিয়ে বলছিল- 'কোনো পুরুষ আছ, আমাকে রক্ষা করো!' ইন্দ্র তার আর্তনাদ শুনে বললেন- 'ভয় পেয়ো না, এখানে তোমার ভয় পাবার কিছু নেই।' এই বলে সেখানে পৌঁছে দেখলেন হাতে গদা নিয়ে কেশী দৈতা সেই নারীটির সামনে দাঁড়িয়ে আছে। ইন্দ্র সেই নারীর হাত ধরে বললেন- 'ওরে নীচ কুকর্মকারী! তুই কী করে এই নারীটিকে হরণ করতে চাস? মনে বাখিস, আমি বজ্রধারী ইন্দ্র। তুই এখনই একে ছেড়ে দে।' তখন...

৪৯তম বনপর্ব ব্রাহ্মণ কৌশিক ও ধর্মব্যাধের পরমাত্মার সংলাপ —

Image
  ৪৯তম বনপর্ব ব্রাহ্মণ কৌশিক ও ধর্মব্যাধের  পরমাত্মার সংলাপ —  মহর্ষি মার্কণ্ডেয়ের কণ্ঠস্বর গঙ্গার মৃদু তরঙ্গের মতো ধীর অথচ গম্ভীর। চারধারে অরণ্যের নিস্তব্ধতা। পাণ্ডবদের কুটিরের সামনে বসে থাকা যুধিষ্ঠির গভীর তৃষ্ণা নিয়ে শুনছিলেন সেই পুণ্য কথা। মহর্ষি বলতে লাগলেন— হে কুন্তীপুত্র, সত্যের অন্বেষণ বড় বিচিত্র পথ ধরে চলে। কখনও তা হিমালয়ের তুষারশুভ্র শিখরে নিয়ে যায়, আবার কখনও তা এনে দাঁড় করায় মিথিলার এক সংকীর্ণ, কোলাহলপূর্ণ কসাইখানায়। অহংকারী ব্রাহ্মণ কৌশিকের অহংকার চূর্ণ হয়েছিল এক ব্যাধের সামান্য পর্ণকুটিরে এসে। ধর্মের আসল রূপ জানতে কৌশিক যখন সেই মাংস বিক্রেতার সামনে করজোড়ে দাঁড়াল, তখনই শুরু হলো মহাভারতের এক পরম অনুপম অধ্যায়। ১. শিষ্টাচারের অন্বেষণ: কৌশিকের প্রথম জিজ্ঞাসা কৌশিকের মনের সব ঔদ্ধত্য ততক্ষণে গলে জল হয়ে গেছে। এক পতিব্রতা রমণীর অলৌকিক তপোবলের উৎস খুঁজতে এসে সে এসে পৌঁছেছে এক শূদ্র ব্যাধের দ্বারে, যে জীবিকার তাগিদে পশুমাংস বিক্রয় করে। কিন্তু ব্যাধের চোখের সেই অচঞ্চল, শান্ত দীপ্তি দেখে কৌশিক বুঝতে পেরেছিল, এই মানুষটির ভেতরে এমন এক আলোর উৎস রয়েছে যা কোনো শুষ্ক বেদপ...

৪৮তম বনপর্ব- রক্তচক্ষু দ্বিজ ও ধর্মের গূঢ় লিপি: এক পতিব্রতার আখ্যান

Image
৪৮তম বনপর্ব- রক্তচক্ষু দ্বিজ ও ধর্মের গূঢ় লিপি: এক পতিব্রতার আখ্যান ধুন্ধুমারের সেই রক্তক্ষয়ী, প্রলয়ঙ্কর বীরত্বগাথা যখন শেষ হলো, সভাস্থলের পরিমণ্ডলে তখন এক গভীর স্তব্ধতা। পাণ্ডবশ্রেষ্ঠ যুধিষ্ঠিরের মনের গভীরে জেগে উঠেছে এক নতুন সংশয়, এক আশ্চর্য কৌতূহল। তিনি মহর্ষি মার্কণ্ডেয়ের দিকে ফিরে তাকালেন। তাঁর চোখ দুটিতে তখন প্রজ্ঞার আলো। মৃদু, গম্ভীর স্বরে তিনি বললেন, "মহর্ষিবর, ক্ষত্রিয়ের শৌর্যগাথা তো শুনলাম। কিন্তু এবার আমি জানতে চাই সেই অতি সূক্ষ্ম ধর্মের কথা, যা অতি সন্তর্পণে সমাজকে ধরে রাখে। পতিব্রতা নারীদের সেই অলৌকিক মাহাত্ম্যের কথা আমাকে বলুন।" যুধিষ্ঠির একটু থামলেন, তাঁর কণ্ঠে এক গভীর আর্তি, "মাতা-পিতা ও গুরুজনদের সেবায় যে সন্তান নিজেকে উৎসর্গ করে, কিংবা যে নারী স্বামীকে দেবতাজ্ঞানে সেবা করে—এঁরা তো সর্বজনপূজ্য। কিন্তু এই সদাচার পালন করা তো মোটেও সহজ কাজ নয়। অল্পবয়সে পিতা-মাতার আর বিবাহের পর স্বামীর চরণে শ্রদ্ধা ও ভক্তি নিবেদন করার চেয়ে কঠিন ধর্ম বোধহয় এই সংসারে আর দুটি নেই। হে মুনিবর, আপনি আমাকে সেই পাতিব্রত্যের নিগূঢ় রহস্য শোনান।" মহর্ষি মার্কণ্ডেয় ক...

৪৭তম বন পর্ব -বালুকারাশি, প্রলয়াগ্নি এবং এক অপরাজিত ধুন্ধুমারের বিস্মৃত উপাখ্যান

Image
৪৭তম বন পর্ব -বালুকারাশি, প্রলয়াগ্নি এবং এক অপরাজিত ধুন্ধুমারের বিস্মৃত উপাখ্যান মার্কণ্ডেয় মুনি একটু থামলেন। তাঁর চোখের দৃষ্টি বহুদূরে প্রসারিত, যেন হাজার হাজার বছরের কুয়াশাচ্ছন্ন ইতিহাস ভেদ করে তিনি দেখতে পাচ্ছেন এক আশ্চর্য সত্য। স্মৃতির জীর্ণ পাতাগুলো একে একে খুলে যাচ্ছিল তাঁর মনের গভীরে। সূর্যবংশের সেই অতিপ্রাচীন গৌরবগাথা তাঁর কণ্ঠে এক অদ্ভুত মায়াজাল তৈরি করল। তিনি বলতে শুরু করলেন, "শোনো যুধিষ্ঠির, মহাপ্রতাপশালী সূর্যবংশের রাজা ইক্ষাকু যখন পরলোকগমন করলেন, তখন অযোধ্যার রাজসিংহাসনে বসলেন তাঁর যোগ্য পুত্র শশাদ। তারপর কালচক্র আবর্তিত হতে লাগল। শশাদের পর ককুৎস্থ, তাঁর পর অনেনা, একে একে এলেন পৃথু, বিশ্বগশ্ব, অদ্রি এবং যুবনাশ্ব। যুবনাশ্বের ঔরসে জন্ম নিলেন শ্রাব। এই শ্রাবই পরম যত্নে গড়ে তুলেছিলেন এক স্বপ্নের নগরী—শ্রাবন্তী। শ্রাবন্তের পুত্র বৃহদশ্ব, আর তাঁর ঘরেই আলো করে এলেন কুবলাশ্ব। কুবলাশ্ব কেবল বীর ছিলেন না, গুণের দিক থেকে তিনি পিতাকেও ছাপিয়ে গিয়েছিলেন। যখন কুবলাশ্ব পূর্ণ যৌবনে পদার্পণ করলেন, বৃহদশ্ব ভাবলেন, এবার সংসারধর্ম ও রাজপাটের মায়া ত্যাগ করার সময় এসেছে। তিনি পুত্রকে সিংহাস...