দেবী চন্ডিকা -মাইথোলজিক্যাল ফিকশন
দেবী চন্ডিকা -মাইথোলজিক্যাল ফিকশন
চণ্ডী (দুর্গা সপ্তশতী)
মহিষাসুরমর্দিনী-
মহিষাসুরমর্দিনী হলো দেবী দুর্গার একটি বিশেষ রূপ ও নাম, যার অর্থ যিনি মহিষাসুর বধ করেছেন।
পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দেবতারা যখন মহিষাসুরের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন, তখন সব দেবতার শক্তির মিলিত রূপ থেকে দেবী দুর্গার সৃষ্টি হয়। তিনি অসুরদের রাজাকে বধ করে স্বর্গে শান্তি ও ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেন।
বাঙালি সংস্কৃতিতে এটি একটি বিখ্যাত বেতার অনুষ্ঠানও বটে। প্রতি বছর মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় চণ্ডীপাঠ ও পঙ্কজ কুমার মল্লিকের সুরের এই অনুষ্ঠান শোনার মাধ্যমেই শারদোৎসবের সূচনা হয়।
রাজা সুরথ ছিলেন সত্যযুগের এক সূর্যবংশীয় প্রজাহিতৈষী ও পরম ধর্মপরায়ণ সার্বভৌম শাসক, যাঁর বাহুবলে অখন্ড সাম্রাজ্য শান্তি ও ন্যায়ে ভরপুর ছিল।
প্রতিবেশী ‘কোলা’ বা ‘কোলাবিধ্বংসী’ শত্রুদের আক্রমণে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে তিনি রাজধানীতে ফেরেন। কিন্তু নিজের অমাত্য ও মন্ত্রীরা বিশ্বাসঘাতকতা করে রাজকোষ ও সেনাবাহিনী দখল করে
নেয়।
সুরথ একাকী ঘোড়ায় চেপে শিকার করতে যাবার বাহানায় গভীর জঙ্গলে বেড়িয়ে পড়ে।
রাজা সুরথ গভীর জঙ্গলে
মেধা ঋষির আশ্রমে আশ্রয় নেন। সব হারিয়েও রাজ্য ও পরিবারের প্রতি মোহ কাটছিল না দেখে ঋষির কাছে কারণ জানতে চান সুরথ। ঋষি মেধা তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, প্রজা রক্ষা ও বাহুবল প্রদর্শনই ক্ষত্রিয়ের পরম ধর্ম; যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে যাওয়া অনুচিত। একই সঙ্গে তিনি জানান, এই মোহ ও বিভ্রান্তির পেছনে রয়েছে মহাশক্তি 'মহামায়া'র প্রভাব।
রাজা সুরথ সব হারিয়ে গভীর জঙ্গলে মেধা ঋষির আশ্রমে আশ্রয় নিলেন। রাজ্য ও পরিবারের প্রতি মোহ কাটছে না দেখে তিনি ঋষির কাছে এর কারণ জানতে চাইলেন।
ঋষি বললেন, প্রজা রক্ষা ও বীরত্ব প্রদর্শনই ক্ষত্রিয়ের ধর্ম, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালানো অনুচিত। তিনি আরও জানালেন, এই মোহের পেছনে রয়েছে মহাশক্তি মহামায়ার প্রভাব, আর তা বোঝাতে রাজাকে মধু-কৈটভ বধের কাহিনি শোনালে
মধু-কৈটভ বধ-
মহাপ্রলয়কালে ভগবান বিষ্ণু অনন্ত সাগরে যোগনিদ্রায় মগ্ন ছিলেন। তাঁর নাভি পদ্ম থেকে ব্রহ্মার জন্ম হয়। এই সময়ে বিষ্ণুর কানের মল থেকে মধু ও কৈটভ নামে দুই অসুরের সৃষ্টি হয়। ব্রহ্মা দেবী যোগনিদ্রার স্তব করলে দেবী বিষ্ণুর দেহ ত্যাগ করেন এবং বিষ্ণু জাগ্রত হন। দীর্ঘ যুদ্ধের পর অসুরদ্বয় প্রসন্ন হয়ে বিষ্ণুকে বর দিতে চাইলে বিষ্ণু তাদের প্রাণ দাবি করেন।
চারদিকে শুধু জল দেখে অসুরেরা যেখানে জল নেই এমন স্থানে বধ করার শর্ত দেয়। বিষ্ণু মুচকি হেসে নিজের ঊরুতে তাদের মাথা রাখলেন যেখানে জল নেই, সুদর্শন চক্র দিয়ে তাদের কেটে ফেলেন সেখানে কোন জল ছিল না।
মেধা ঋষি তখন বললেন — এবার শোনো দেবীর সবচেয়ে বিখ্যাত রূপের কাহিনি।
বহুকাল পরের কথা। দেবতা আর অসুরদের মধ্যে একশো বছর ধরে টানা যুদ্ধ চলছিল। এই যুদ্ধে মহিষাসুর নামে এক ভয়ংকর অসুর — যে ইচ্ছেমতো রূপ বদলাতে পারত — দেবতাদের সম্পূর্ণ হারিয়ে দিল।
(শ্রীশ্রীচণ্ডী ও দেবী দুর্গাবতার: মহিষাসুরের কালখণ্ড, জন্মবৃত্তান্ত এবং দেবীর মহিষাসুরমর্দিনী রূপ
ইন্দ্রের নেতৃত্বে দেববাহিনী ও মহিষাসুরের অসুর বাহিনীর মধ্যে টানা একশো বছর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। পরিশেষে মায়াজাল ও বিপুল শক্তিতে বলীয়ান হয়ে মহিষাসুর স্বর্গলোক অধিকার করেন এবং ইন্দ্রের আসন ছিনিয়ে নেন। পরাজিত হয়ে ইন্দ্র অমরাবতী ত্যাগ করেন এবং পদ্মবনের গভীরে পদ্মনালের ভেতরে অতিক্ষুদ্র রূপ ধারণ করে আত্মগোপন করেন।
মহিষাসুর তাঁর মায়া ও অসীম শক্তির জোরে দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ দখল করলেন এবং ইন্দ্রের সিংহাসন কেড়ে নিলেন।
আগে তিনি তপস্যায় ব্রহ্মাকে তুষ্ট করে বর পেয়েছিলেন, কোনো পুরুষ, দেবতা বা মানুষ তাঁকে মারতে পারবে না, কেবল নারীই পারবে। নারী তাঁর সমকক্ষ হতে পারে না ভেবে তিনি অহংকারে অন্ধ হয়ে স্বর্গের শাসন নিজের হাতে নিলেন।
মহিষাসুর ইন্দ্রের সিংহাসন, সূর্য-চন্দ্রের অধিকার এবং অগ্নি-বরুণের ক্ষমতা কেড়ে নিলে পরাজিত দেবতারা ব্রহ্মাকে নিয়ে শিব ও বিষ্ণুর কাছে গেলেন। তাঁদের দুর্দশার কথা শুনে শিব-বিষ্ণু ক্রুদ্ধ হলেন, আর সব দেবতার ক্রোধ মিলে এক অদ্ভুত তেজ বেরিয়ে এল।
সেই তেজ আকাশে জমা হয়ে এক জ্বলন্ত পাহাড়ের রূপ নিল, আর তা থেকে জন্ম নিলেন ত্রিনয়না, চন্দ্রমুখী এক অপরূপ নারী, দেবী।
দেবীকে দেখে দেবতারা মুগ্ধ হলেন,
আর একে একে তাঁদের সবচেয়ে
প্রিয় অস্ত্র-অলংকার দেবীকে
উপহার দিলেন —
শিব দিলেন তাঁর ত্রিশূল, বিষ্ণু
দিলেন চক্র, বরুণ দিলেন শঙ্খ,
অগ্নি দিলেন বর্শা, বায়ু দিলেন
ধনুক-তূণীর, ইন্দ্র দিলেন বজ্র
আর ঘণ্টা, যম দিলেন দণ্ড, ব্রহ্মা
দিলেন কমণ্ডলু আর জপমালা,
সূর্য দিলেন তাঁর নিজের কিরণ,
হিমালয় দিলেন এক সিংহ —
বাহন হিসেবে!
এভাবে সব অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দেবী সিংহে চড়ে এমন এক গর্জন করলেন যে তিন ভুবন কেঁপে উঠল। মহিষাসুরের সেনাপতিরা — চিক্ষুর, চামর, উদগ্র আর আরও অনেকে — এই গর্জন শুনে যুদ্ধের জন্য তৈরি হলো।
মহিষাসুর তার সেনাবাহিনীর পতন দেখে চরম ক্রোধে নিজের আসল মহিষরূপে সরাসরি যুদ্ধে নামল। তার তাণ্ডবে পৃথিবী কেঁপে উঠল। দেবী দুর্গাপাশ দিয়ে তাকে বেঁধে ফেললে, সে ছলাকলা করে একের পর এক সিংহ, তরোয়ালধারী মানব এবং বিশাল হাতির রূপ ধারণ করতে লাগল। কিন্তু দেবীও বিচক্ষণতার সাথে তার রূপবদলের সমস্ত আক্রমণ ব্যর্থ করে দিলেন।
অসুর তখন আবার মহিষরূপে ফিরে গেল, রেগে গিয়ে তিন ভুবন কাঁপিয়ে তুলল। এভাবে বারবার রূপ বদলে অসুর দেবীকে হারানোর চেষ্টা করছিল।
দেবী তখন এক দিব্য সুরা পান করলেন —
মহিষাসুরের অহংকার ও আস্ফালনকে দেবী অত্যন্ত তুচ্ছ জ্ঞান করেছিলেন। সুরা পান করতে করতে দেবীর অট্টহাসি অসুরের মনে তীব্র ভয় ও মানসিক দুর্বলতা তৈরি করে। চণ্ডীতে দেবীর সেই বিখ্যাত হুংকার উল্লেখ রয়েছে—
"গর্জে গর্জে ক্ষণং মূঢ় মধু যাবৎ পিবাম্যহম্। মায়ি ত্বয়ি হতেঽত্রৈব গর্জিষ্যন্ত্যাশ স দেবতাঃ।।" (অর্থাৎ, "রে মূঢ়! আমি যতক্ষণ এই সুরা পান করছি, তুই ততক্ষণ গর্জন করে নে। তোকে বধ করার পর দেবতারা শীঘ্রই আনন্দে গর্জন করে উঠবেন।")
মহিষাসুর এই অট্টহাস্যে আরও ক্ষেপে গিয়ে একটা গোটা পাহাড় তুলে দেবীর দিকে ছুড়ে মারল — দেবী বাণ দিয়ে সেটা চূর্ণ করে দিলেন।
শেষ পর্যায়ে অসুর আবার মহিষরূপে দেবীর দিকে ছুটে এলো, নিশ্বাসের ঝড় তুলে তাঁকে টলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল। ঠিক তখনই দেবী নিজের পা দিয়ে অসুরের গলা চেপে ধরলেন আর ত্রিশূল দিয়ে বিদ্ধ করলেন।
মহিষাসুর বধের পর ইন্দ্রের নেতৃত্বে সব দেবতা দেবীর কাছে এসে তাঁর স্তব করলেন। তাঁরা বললেন, এই জগৎ দেবীরই শক্তিতে চলছে; তিনিই সব দেবতার শক্তির উৎস এবং সবার পূজনীয়া।
দেবতারা বললেন, দেবী সব প্রাণীর মধ্যে নানা রূপে বাস করেন: কখনো চেতনা, বুদ্ধি, ঘুম, ক্ষুধা বা শক্তি হয়ে; কখনো তৃষ্ণা, ক্ষমা, লজ্জা বা শান্তি হয়ে; কখনো বিশ্বাস, সৌন্দর্য, লক্ষ্মী বা স্মৃতি হয়ে; কখনো দয়া, তৃপ্তি বা মায়ের স্নেহ হয়ে; আবার কখনো ভ্রান্তি বা মোহ হয়ে।
মানুষের মনের সব অনুভূতির মধ্যেই দেবী রয়েছেন, এটাই ছিল স্তবের মূল কথা। প্রতিটি গুণের উল্লেখের পর দেবতারা বলতেন, "তাঁকে প্রণাম, বারবার প্রণাম।"
শেষে তাঁরা প্রার্থনা করলেন, দেবী যেন ভবিষ্যতেও কৃপা করে জগৎকে রক্ষা করেন। দেবী প্রসন্ন হয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেন, যখনই দেবতারা সংকটে পড়বেন, তাঁকে স্মরণ করলে তিনি আবার আবির্ভূত হয়ে তাঁদের রক্ষা করবেন।
মেধা ঋষি এই বিশ্বপ্রপঞ্চ মহামায়ার সৃষ্টির গল্প শোনাবার পর তিনি রাজাকে বলেন - তুমি ত ক্ষত্রিয়, তোমার কাজ প্রজাপালন এবং তোমার পরিবার পরিজনের ভরণপোষণ করা। স্বয়ং ব্রহ্মা তার বাহু থেকে ক্ষত্রিয় সৃষ্টি করেন। সুতরাং বাহুবল দেখানো ই তোমার প্রথম ধর্ম। তা না করে তুমি পালিয়ে যাচ্ছ কেন। ধিক তোমার ক্ষত্রিয় ধর্ম। যুদ্ধে যদি ক্ষত্রিয়র মৃত্যুও হয় সেটা হবে সনাতন ধর্মের শ্রেষ্ঠ কর্ম। সুতরাং তুমি তোমার রাজ্য পুনরুদ্ধার করো।
রাজা সুরথ নদীর তীরে মাটির প্রতিমা গড়ে তিন বছর ধরে কঠোর তপস্যা ও নিজের রক্ত দিয়ে দেবীর আরাধনা করেন। তাঁর নিষ্ঠায় সন্তুষ্ট হয়ে দেবী চণ্ডিকা সশরীরে আবির্ভূত হন এবং বর চাইতে বলেন।
রাজা সুরথ প্রার্থনা করলেন যেন তিনি তাঁর হারানো রাজ্য ফিরে পান, আর পরের জন্মে সূর্যের পুত্র হয়ে সাবর্ণি মনু হন।
দেবী তাঁকে বাঞ্ছিত বর দিয়ে অন্তর্হিত হয়ে গেলেন।
বর লাভের পর সুরথ কেবল দৈবশক্তির ওপর ভরসা করে বসে রইলেন না। তিনি সোজা যাত্রা করলেন স্বপুরের পূর্ববর্তী মিত্ররাজ্য 'অঙ্গ'-এর উদ্দেশ্যে। অঙ্গরাজ চিত্ররথ সুরথকে রাজোচিত অভ্যর্থনা জানিয়ে শুধালেন, "মহারাজ সুরথ! আপনার এই দশা কীভাবে হলো? আর এই নির্জন পথে আপনি একাকী কোথায় চলেছেন?"
সুরথ দৃপ্ত কণ্ঠে বললেন, "অঙ্গরাজ, স্বপুরের বিশ্বাসঘাতক মন্ত্রীরা পুণ্ড্ররাজ্যের কোল-বিধ্বংসী সৈন্যদের সঙ্গে মিলে আমার রাজ্য কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু আজ আমি একা নই, মহর্ষি মেধার আশ্রমে আমি মহামায়া ও দেবাধিদেবের বর পেয়েছি। ন্যায়ের যুদ্ধ একা লড়া যায় না, তাই আপনার সামরিক সাহায্য ও মিত্রতা চাই।"
অঙ্গরাজ চিত্ররথ সুরথের চোখের তেজ ও দৈব আভা দেখে ক্ষণকাল স্তব্ধ হয়ে রইলেন। তারপর সুরথের হাত ধরে বললেন, "সুরথ, দেবতারা যাঁর পক্ষে, ধর্মে যাঁর নিষ্ঠা, অঙ্গরাজ্য তাঁর পাশে দাঁড়াতে দ্বিধা করবে না। পুণ্ড্র ও কোল-বিধ্বংসী শত্রুদের অন্যায় রাজত্ব আমরা গুঁড়িয়ে দেব।"
কিছুদিনের মধ্যেই অঙ্গরাজ্যের সুসংগঠিত সেনাবাহিনী এবং সুরথের দৈব তেজে উদ্দীপিত সৈন্যদল স্বপুরের সীমান্তে এসে উপস্থিত হলো।
যুদ্ধের ময়দানে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সুরথ তাঁর তরবারি উঁচিয়ে হুঙ্কার দিলেন, "হে স্বপুরের বিশ্বাসঘাতক ও পুণ্ড্রের শত্রুর দল! তোরা ধর্ম ত্যাগ করেছিস। আজ মহামায়ার চণ্ডীশক্তি এবং মহাদেবের ন্যায়ের বিচারে তোদের বিনাশ অনিবার্য!"
শত্রুপক্ষের সেনাপতি কোল-নেতা উপহাস করে চিৎকার করে উঠল, "বনে ঘুরে বেড়ানো এক পলায়িত রাজা আজ আমাদের ভয় দেখাচ্ছে? আক্রমণ করো!"
কিন্তু যুদ্ধ শুরু হতেই দৃশ্যপট বদলে গেল। দেবী দুর্গার বরে সুরথের প্রতিটি পদক্ষেপে যেন বিদ্যুতের তেজ, আর শিবের আশীর্বাদে তাঁর রণকৌশলের সামনে শত্রুপক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। অঙ্গরাজ্যের বীর সৈন্যরা চণ্ডীধ্বনি তুলে শত্রুব্যূহ ছিন্নভিন্ন করে দিল। পুণ্ড্র সমর্থিত সৈন্য ও প্রতারক মন্ত্রীরা সুরথের এই অপ্রতিরোধ্য গতি দেখে রণাঙ্গন ছেড়ে পালাতে শুরু করল।
কয়েক ঘণ্টার তীব্র যুদ্ধের পর স্বপুরের আকাশে পুনরায় রাজা সুরথের পতাকাসমূহ উড়তে লাগল।
দেবীমাহাত্ম্যের বরানুসারে, বর্তমান জীবন শেষে রাজা সুরথ সূর্যদেব ও ছায়ার সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন। ছায়া ও সংজ্ঞার সমবর্ণ হওয়ার কারণে তাঁর নাম হয় সাবর্ণি। দেবীর বরপ্রাপ্ত হয়ে তিনি অষ্টম মন্বন্তরের অধিপতি—অষ্টম মনু (সাবর্ণি মনু) হিসেবে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের শাসনভার গ্রহণ করেন।






















Comments
Post a Comment